Breaking

Friday, January 24, 2020

January 24, 2020

সদরপুরে একতা ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে অসহায় ও দরিদ্র শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরন

নাজমুল হাসান নিরব-
ফরিদপুরের সদরপুরে অসহায় ও দরিদ্র শীতার্তদের মধ্যে ৩ দিন ব্যাপী  কম্বল বিতরণ করছে স্বেচ্ছাসেবী ও অরাজনৈতিক সংগঠন একতা ফাউন্ডেশন।


জানা যায়, গত বুধবার,বৃহস্পতিবার, ও আজ শুক্রবার এই তিনদিন যাবৎ উপজেলার আকোটের চর ইউনিয়ন ও চর বিষ্ণুপুর ইউনিয়নে প্রায় দুইশত অসহায়,দরিদ্র ও প্রতিবন্ধীদের খুঁজে খুঁজে বের করে কম্বল বিতরণ করেছেন একতা ফাউন্ডেশন।

কম্বল বিতরণকালে একতা ফাউন্ডেশনের সভাপতি মশিউর রহমান মিম জানান,২০১৫ সাল থেকে আমাদের পথ চলা।বিভিন্ন সময় নানান সমাজ সেবামূলক কর্মকান্ডের ধারাবাহিকতায় আমাদের আজকের এই অবস্থান।আমরা নিজেরা মাসিক একটি নির্দিষ্ট পরিমান টাকা জমিয়ে এই সব সেবামূলক কাজ করে থাকি।আগামীতে আরো ভালো ভালো কাজ করতে চাই।

এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন উক্ত সংগঠনের,জাফর মাহমুদ,বাতেন মিয়া,রাজ্জাক,রাকিব মাহমুদ,আজিজুল,জাহিদ, আকমাল ,সুহান ,মোবারক ,মামুন প্রমূখ।

Monday, January 20, 2020

January 20, 2020

প্রকৃতির সৌন্দর্যের মুগ্ধতায়" তারুয়া দ্বীপ" যাদুকরি শক্তি


এ,কে এম গিয়াসউদ্দিন,ভোলা প্রতিনিধিঃ 
চারিদিকে জলরাশি পরিবেষ্টিত সাগরের উত্তাল ঢেউয়ে পলি জমতে জমতে প্রায় ৪৬ বছর আগে ভোলা জেলার চরফ্যাশন উপজেলা সদর থেকে প্রায় ৩৫ কিলোমিটার দূরত্বে  বিচ্ছিন্ন দ্বীপ ঢালচর ইউনিয়নের বঙ্গোপসাগরের কোল ঘেষে  জেগে ওঠে তারুয়া দ্বীপ। এখানে একদিকে যেমন উপভোগ করা যায় সাগরের মাঝে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের মোহনীয় দৃশ্য, তেমনি দেখা মেলে নানা প্রজাতির গাছের সমারোহে গড়ে ওঠা সবুজ নিসর্গ আর হরেক রকম বন্য প্রানীরও। এছাড়া ও রয়েছে  নানা জাতের পাখিদের কল-কাকলি, বালুকাময় মরুপথ  আর সাগরের উত্তাল গর্জন সব মিলিয়ে পর্যটক আর ভ্রমণ পিপাসু মানুষকে মুগ্ধতার বন্ধনে আবদ্ধ করার যেনো যাদুকরি শক্তি রয়েছে এই তারুয়া দ্বীপে ৷
    
                                                                                                 ভোরবেলায় তারুয়ার সমুদ্র সৈকতের পাড়ে দাড়ালে ভোরের সূর্য আপনাকে এমনভাবে আগমনী বার্তা দিবে, দেখে মনে হবে যেনো ভোরের সূর্য আপনাকে কাছ থেকে ইশারায় সুপ্রভাত জানিয়েছে। পাশাপাশি সন্ধ্যার আকাশে সিঁড়ি বেয়ে এক পা দুপা করে লাল রশ্মি ভরে ওঠার সেই অতুলনীয় দৃশ্যও দেখা মিলবে এই তারুয়া দ্বীপে।এছাড়াও রাতে নতুন শাড়িতে ঘোমটা পরা নব বধূর ন্যায় নিঝুমতায় ছেয়ে যায় পুরো তারুয়া দ্বীপ ৷ প্রকৃতির রূপ আলো আধারির বাহারী খেলার দেখা মেলে এখানে।তাই বলা যেতেই পারে পর্যটক আর ভ্রমণ পিপাসু মানুষকে মুগ্ধতার বন্ধনে আটকে দেয়ার যাদু রয়েছে যেনো এই দ্বীপটিতে।    
        

তবে সেখানে এখনো গড়ে ওঠেনি মানুষের বসতি। এখানে হরিণ ও ভাল্লুকসহ নানা প্রাণী ও দৃষ্টি নন্দন মাটি রয়েছে। সবুজ বৃক্ষের ঝঙ্কার আর পাখিদের কলরবে মুখরিত তারুয়া দ্বীপ।   

                                                          শীতকালে তারুয়া দ্বীপের প্রকৃতি পেয়ে যায় যেনো তার নান্দনিক ছোঁয়া। বিচিত্র পাখ-পাখালির মধুময় কলতানে মুখরিত হয়ে উঠে এই দ্বীপটি জুড়ে। বছরজুড়ে এখানে  হরেকরকম পাখির কলোকাকলীতে সরব থাকলেও শীতে যেন নতুন প্রাণ পায় এখানকার পাখিরা। আবার এদের সঙ্গে যোগ হয়েছে সাইব্রেরিয়াসহ পৃথিবীর অন্যান্য অঞ্চল থেকে আগত বিভিন্ন প্রজাতির পাখির দল। ইতিমধ্যে হাজারো প্রকৃতিপ্রেমীককে আকৃষ্ট করেছে তারুয়া দ্বীপের বিচিত্র বর্ণিল পাখিরা। দ্বীপের বালুতটে ছোট-বড় লাল কাঁকড়ার ছোটাছুটি খেলা পর্যটকদের অন্যরকম আকর্ষণ করছে ৷ দূর থেকে দেখলে মনে হয় যেন সৈকতজুড়ে লাল কার্পেট বিছিয়ে রাখা হয়েছে ৷ বালুর ভেতরে লাল কাঁকড়ার বসতি, রোদ উঠলেই লাল কাঁকড়া সূর্যের দিকে তাকিয়ে নিশ্চুপ হয়ে থাকে।                                                  


তারুয়া দ্বীপটি এরই মধ্যে পর্যটকদের দৃষ্টি আকর্ষণে সক্ষম হয়েছে। এ দ্বীপের সৌন্দর্যের কথা  বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে পড়ায় বিশেষকরে শীতের সময় শত শত মানুষ দলবেধে এখানে বেড়াতে আসছেন, আবার অনেকেই গ্রুপযুক্ত হয়ে দুই তিনদিনের জন্য  পিকনিক করতেও আসেন।  
   
                                                                                                           ঢালচর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম হাওলাদার বলেন, তারুয়া দ্বীপে পর্যটকদের জন্য  ব্যাক্তি মালিকানায়  তিন চারটি টিনসেট ঘর নির্মান করা হয়েছে, পর্যটকরা কম খরচে এই ঘর গুলোতে রাত্রিযাপন করতে পারবে, তাছাড়া অধিক সংখ্যক লোক হলে এখানে তাবু করেও থাকতে পারবে।  বিশুদ্ধ  পানির জন্য  রয়েছে একটি টিওবওয়েল তার পাশেই স্যানিটেশনের ব্যবস্থার জন্য রয়েছে স্যানিটারি লেট্রিন ও রাতের আধারকে আলোকিত করতে  সৌরবিদ্যুতের কয়েকটি লাইট  লাগানো হয়েছে। এছাড়াও পর্যটকদের জন্য রয়েছে দুলাল মিয়ার একটি দোকান, সেখানে যোগাযোগ করলে পর্যটকরা খাওয়ার ব্যাবস্থা থেকে শুরু করে  অন্যান্য সুবিধাও পাবেন।


  এখানে বেড়াতে আসা পর্যটক মিজানুর রহমান, শাজাহান মামুন ও বিমল বলেন,  ‘তারুয়া দ্বীপের কথা আগে অনেকবার শুনেছি কিন্তু কখনোই দেখিনি। এখনে পিকনিক করতে এসে এবং জায়গাটি দেখে আমাদের খুবই ভালো লেগেছে।  
                                                                                              পর্যটক হাবিব খান বলেন, ‘এখানে এলে বন ও সমুদ্রের সৌন্দর্য দেখা যায় এক সঙ্গে। অন্য পর্যটন কেন্দ্রে একই সঙ্গে দু’টি সৌন্দর্য উপলদ্ধি করা যায়না।     
                           
গৃহিনী শারমিন আকতার বলেন,  টিনসেট ঘরের রুমে ভাড়ায় রাত্রি যাপন করার সুবিধা থাকায় আমি আশা করি আমাদের মত অনেকেই এখানে এই সুন্দর জায়গায় বেড়াতে আসবেন।  

                                                           চরফ্যাশনের উপজেলার দক্ষিণ আইচা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি -তদন্ত) মিলন কুমার  ঘোষ বলেন, পর্যটকদের জন্য  তারুয়া দ্বীপে নিরাপত্তা ব্যাবস্থা রয়েছে। পর্যটকদের নিরাপত্তা ও জলদস্যু দমনে সরকার ইতিমধ্যে  ঢালচর ইউনিয়নে একটি পুলিশ  ফাড়ি স্থাপন করেছে।  

                                                                                                                 ঢালচর পুলিশ ফাড়ির  অফিসার ইনচার্জ আহম্মেদ আনোয়ার বলেন, স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ ও ঢালচর পুলিশ ফাড়ির সমন্বয়ে এখানে পর্যটকদের জন্য নিরাপত্তা ব্যাবস্থা রয়েছে, তবে  তারুয়া দ্বীপ ঢালচর ইউনিয়নের একটি বিচ্ছিন্ন দ্বীপ হওয়ায় এবং অপ্রতুল নৌযান ও পুলিশ ফাড়ির নিজস্ব কোনো নৌযান না থাকার কারনে  আমরা পর্যাপ্ত কিংবা সার্বক্ষণিক নিরাপত্তার বিষয়টি  তারুয়া দ্বীপে আসা পর্যটকদের জন্য  এখনো নিশ্চিত করতে পারিনি।                         

তারুয়া দ্বীপে যাওয়ার উপায় : ঢাকা থেকে লঞ্চে করে প্রথমে চরফ্যাশন বেতুয়া যেতে হবে। সেখান থেকে কচ্ছপিয়া পর্যন্ত সড়ক পথ হওয়ায় যাতায়াত সহজ। তারপর কচ্ছপিয়া থেকে স্পিডবোট  বা ইঞ্জিনচালিত  নৌকায় যেতে পারবেন সরাসরি তারুয়া দ্বীপে
January 20, 2020

“দীর্ঘ চার মাস ধরে ঘুড়ছি ফরিদপুর পাসপোর্ট অফিসে”

ফরিদপুর প্রতিনিধি : 
ফরিদপুর আঞ্চলিক পাসর্পোট অফিসে দীর্ঘ চার মাস আগে পাসপোর্ট করতে দিয়ে ঘুড়তে ঘুড়তে বড্ড বেশী ক্লান্ত হয়ে পড়েছেন শহরের টেপাখোলার মইন বিশ্বাস। তার স্ত্রী অসুস্থ্য দ্রুত চিকিৎসা করার জন্য নিয়ে যেতে হবে ভারতে। কিন্তু কিভাবে যাবেন চার মাস হতে চললো সোনার হরিন সেই পাসপোর্ট হাতে পাননি তিনি। প্রতিদিন পাসপোর্ট অফিসে তিনি আসেন অফিসের বড় কর্মকর্তার সাথে তো আর দেখা করতে পারেন না। অগত্যা তাকে নিচের কাউন্টারে খোঁজ নিযে ফিরে যেতে হয় পাসপোর্ট না পেয়ে।

ফরিদপুর পাসপোর্ট অফিস এভাবে চলছে সদ্য যোগ দেয়া উপ-পরিচালক মো. নুরুল হুদা যোগ দেওয়ার পর থেকে। এরই মাঝে তার সরকারি টেলিফোন নাম্বার ০৬৩১-৬২৭৮৭ ও মোবাইল নাম্বার ০১৭৩৩-৩৯৩৩৪২ ব্যবহার করেন না বলে অভিযোগ উঠেছে। ফলে সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাসহ সেবা নিতে আসা মানুষেরা ভোগান্তিতে পড়লেও অভিযোগ করার জন্য তাকে খুঁজে পাওয়া যায় না। আর বেশীর ভাগ ক্ষেত্রে কেউ দেখা করতে চাইলে তাদের পড়তে হয় তার রুমের সামনে থাকা আনসার কমিটির সদস্যদের খপ্পরে। এদের উৎপাত এতোটাই বেশী যে সাধারন মানুষ বিভ্রান্ত হয়ে পড়েন কি করবেন।

নুরুল হুদা ২০১৯ সালের অক্টোবর মাসে ফরিদপুর পাসপোর্ট অফিসে যোগদান করেন। তার যোগদানের পর থেকে গত চার মাসে পাসপোর্ট অফিসের সরকারি টেলিফোন ও মোবাইলে ওই উপ পরিচালকের সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে। মোবাইলটি এই চার মাস ধরে রিসিভ করেন অফিসের সুপারেটেন্ট শওকত আলী মোল্যা। তিনি এক আইনবাজ কর্মকর্তা বলে সেবা নিতে আসা গ্রাহকরা অভিযোগ করেছেন। তবে সেই আইন অনেক সহজ হয় যদি তিনি তাদের কাছ থেকে খুশি হন। এছাড়া অভিযোগ রয়েছে উপ-পরিচালক মো. নুরুল হুদা তার অফিসের সকল কাজ করান সুপারেটেন্ট শওকত আলী মোল্যাকে দিয়ে। 

সেবা নিতে আসা প্রতাপ কুমার নামের এক ব্যক্তি জানান, দুই মাস ঘুরেও পাসপোর্ট পায়নি। অনেকে আবার বেশি টাকা দিয়ে পাসপোর্ট পাচ্ছে। এবিষয়ে কথা বলতে ডিডির রুমে গেলে শুনলাম তিনি ডিসি অফিসে মিটিং এ গেছেন। তারপর তার মোবাইলে ফোন করলে অন্য ব্যক্তি ধরেন। এভাবেই দিনের পর দিন ঘুরছি।

ফয়সাল নামে এক ব্যক্তি বলেন, আমার পিতার চিকিৎসার জন্য দ্রæত ভারতে যেতে হবে। আমরা পাসপোর্ট করতে অফিসে আসলে জরুরী পাসপোর্ট করতে দিই এখানে থাকা এক ব্যক্তির কাছে। সাধারনত একটি জরুরী পাসপোর্ট করতে সাত হাজার টাকা লাগে। সেখানে তারা আমাদের কাছ থেকে দশ হাজার টাকা নিয়েছে তারপরও ভাই দ্রুত লাগবে এই জন্য টাকা দিয়েছি। এখানে টাকা কোন সমস্যা নয়। এর আগে যে ডিডি ছিলেন মাসুম সাহেব তিনি অনেক ভালো মানুষ ছিলেন। তার রুম এবং ফোন দুটোই যে কেউ ইচ্ছা করলে কথা বলতে পারতো তার সাথে। এখন আর সেটা সম্ভব হয় না। 

এক ভুক্তভোগী আলতাফ হোসেন বলেন, আমার কাগজ ঘষামাজা হওয়ায় জমা নেয়নি অফিস পরে এক আনসার সদস্য আমার কাছে ১২০০ টাকা দাবি করেন। আমি উর্ধতন কর্মকর্তাকে বলেও সেদিন কাগজপত্র জমা দিতে পারিনি। 

পাসপোর্ট করতে এসে দুর্ভোগ পোহাতে হয় হজ্জ ও উমরার যাত্রীদেরও। বোয়ালমারী থেকে ওবায়দুর রহমান ও তার স্ত্রী হজ্জে যাওয়ার জন্য পাসপোর্ট করতে এলে তাদেরকে নানা অযুহাত দেখিয়ে দালালের সহায়তা নিতে বলা হয়। এখানে দায়িত্বরত আনসার সদস্য ও সংগঠিত দালাল চক্রের সাথে পাসপোর্ট অফিসের কর্মকর্তাদের যোগসাজশে চলে এই দুর্নীতি। পুলিশ ভেরিফিকেশনসহ নানা বিষয়ের কথা বলে এখানে থাকা লোকজন তাদের কাছ থেকে অতিরিক্ত তিন হাজার টাকা করে নেয়া হয়েছে বলে জানান তার আত্মীয় আকবর আলী।

ফরিদপুরের সিনিয়র সাংবাদিক পান্না বালা বলেন, অফিস প্রধানের মোবাইল বা টেলিফোন অন্য কেউ ব্যবহার করতে পারে না। তার অধিনস্থ কাউকে দিয়েও ব্যবহার করানো যাবে না। সেবা দিতে এসে এভাবে দুরে থাকার মানে হয়না। এতে যদি কেউ তাকে দায়িত্ব অবহেলার অভিযোগ তুলে তা অমূলক নয়।

এ বিষয়ে কথা বলতে তার সরকারী মোবাইলে কল দিলে ডিডি নুরুল হুদাকে পাওয়া যায়নি। আর এ সময় তার মোবাইলটি ধরে শওকত আলী বলেন, স্যার এই মোবাইলটি সব সময় ব্যবহার করেন না। তিনি বলেন স্যার ব্যস্ত  থাকেন যে কারনে ফোন রাখেন না তার কাছে। কোন তথ্য থাকলে আমাকে বলেন। তিনি আরো বলেন এখানে অতিরিক্ত কোন টাকা নেওয়ার কথা আমার জানা নেই।

Sunday, January 19, 2020

January 19, 2020

চরভদ্রাসনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৬ দোকান পুড়ে অর্ধকোটি টাকার ক্ষয়-ক্ষতি


নাজমুল হাসান নিরব,ফরিদপুর প্রতিনিধি:
ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলার সদর বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে  ৬টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ভস্মিভুত হয়েছে।শনিবার রাত ১১ টা ৩৫ মিনিটের দিকে জিয়া ভ্যারাইটিস ষ্টোরের বৈদ্যতিক শক সার্কিট বাষ্ট হয়ে অগ্নিকান্ডের সূত্রপাত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এসব ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে মুদি-মনোহারী, মেডিসিন ও ইলেক্ট্রনিক্সের দোকান রয়েছে। এতে প্রায় অর্ধকোটি টাকার মালামাল আগুনে পুড়ে ভস্মিভুত হয়েছে। 

অগ্নিকাণ্ডের প্রায় এক ঘণ্টা পর সদরপুর ও ফরিদপুর ফায়ার সার্ভিস এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। ক্ষতিগ্রস্থ ৬ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান হলো-মুদি মনোহারী ব্যবসায়ী মো. জিয়াউর রহমানের দোকান, আবুল কালাম মোল্যা, আঃ হালিম মোল্যা, ফরহাদ হোসেন মোল্যা, মেডিসিন ব্যবসায়ী তৌহিদুল ইসলাম তুহীন ও ইলেক্ট্রনিক্স ব্যবসায়ী এলাহী রব্বানী।

ঘটনার রাতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জেসমিন সুলতানা, উপজেলা ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. মোতালেব হোসেন মোল্যা ও থানা ওসি হারুন অর রশিদ ক্ষতিগ্রস্থ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করেছেন।

সরেজমিনে দেখা যায়,প্রতিদিনের ন্যায় ব্যবসায়ীরা রাতে দোকান বন্ধ করে বাড়ীতে গিয়ে ঘুমিয়ে পড়ছিল। রাত সাড়ে ১১ টার দিকে উপজেলা সদর বাজারের জিয়া ভ্যারাইটিস ষ্টোরের মধ্যে থেকে বৈদ্যতিক শক সার্কিট বাষ্ট হয়ে অগ্নিকান্ডের সূত্রপাত ঘটে। পরক্ষনে আগুনের লেলিহান শিখা আশপাশের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ছড়িয়ে পড়লে বাজার পাহাড়াদাররা সৌরচিৎকার করে আগুন নিভানোর জন্য এলাকাবাসী জড়ো করতে থাকে। স্থানীয়রা আগুন নিয়ন্ত্রনের জোর চেষ্টা চালানোর পরও বাজারের ছয়টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ভস্মিভুত হয়।

স্থানীয় বাজার ব্যাবসায়ীরা ক্ষোভের সাথে জানায়, প্রতিবছরই আমাদের বাজারে আগুন লেগে লক্ষ লক্ষ টাকার ক্ষয়-ক্ষতি হয় ।কিন্তু এতবড় একটা বাজার যেখানে আগুন নিয়ন্ত্রেনের কোন ব্যাবস্থা নেই।এছারা আমাদের থানায় কোন ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন না থাকায় আগুন লেগে সব কিছু শেষ হওয়ার পরে ফায়ার সার্ভিস আসে।আমরা আমাদের এলাকায় ফায়ার সার্ভিস স্টেশন চাই।

Tuesday, January 14, 2020

January 14, 2020

ফরিদপুরে গৃহবধূর লাশ উদ্ধার,স্বামী পলাতক


ফরিদপুর প্রতিনিধি:-
মঙ্গলবার সকালে ফরিদপুর শহরের চরকমলাপুর এলাকা থেকে রিনা বেগম নামে এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

ঘটনার পর থেকে ওই গৃহবধূর স্বামী ট্রাক ড্রাইভার মো. হাসান পলাতক রয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। 

নিহত রিনা বেগম ফরিদপুরের সালথা উপজেলার কুমার পট্টি গ্রামের মো. শাহজাহানের মেয়ে।বেশ কয়েক বছর তারা চরকমলাপুরে ভাড়া বাড়িতে বসবাস করে আসছিলেন। 

নিহতের ভাই মো. রাজীব জানান, নয় বছর আগে একই উপজেলার রামকান্তপুর গ্রামের মো. হাসানের সঙ্গে তার বিয়ে হয়। রিনা বেগমের পাঁচ বছর বয়সী মেয়ে ও তিন বছর বয়সী তালহা নামে দুই সন্তান রয়েছে।বেশ কিছুদিন ধরেই রিনা ও তার স্বামীর মধ্যে কলহ চলছিল। সোমবার রাতে দুই পরিবারের লোকদের উপস্থিতিতে কলহ মিমাংসা করে সবাই নিজ নিজ ঘরে চলে যান। পরে সকালে খোঁজ নেয়ার জন্য মা জোলেখা বেগম রিনার ঘরে গেলে তাকে পড়ে থাকতে দেখে চিৎকার দেন। আশপাশের লোকজনের সহায়তায় রিনাকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

ফরিদপুর কোতয়ালী থানার এসআই মো. বেলাল হোসেন জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে পুলিশ। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার পর থেকে নিহতের স্বামী হাসান পলাতক রয়েছেন।

তিনি আরো জানান, পারিবারিক কলহের জের ধরে এ ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

Monday, January 13, 2020

January 13, 2020

ফরিদপুরের আলোচিত পর্দা কেলেংকারির ঘটনায় দুই চিকিৎসকসহ ৩ জন কারাগারে

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বহুল আলোচিত ‘পর্দা কেলেংকরি’ ঘটনায় পরস্পর যোগসাজশে অপ্রয়োজনীয় ও অবৈধভাবে প্রাক্কলন ব্যাতিত উচ্চমূল্যে হাসপাতালের যন্ত্রপাতি (ইকুভমেন্ট) ক্রয়ের মাধ্যমে সরকারের ১০ কোটি টাকা আত্মসাতের চেষ্টার অভিযোগে দায়ের করা দুদকের মামলায় দুই চিকিৎসকসহ তিনজনকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

হাইকোর্ট থেকে ছয় সপ্তাহের অন্তবর্তীকালীর জামিনের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর গতকাল রোববার সকালে ওই তিন চিকিৎসক অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ কামরুন্নাহার বেগমের আদালতে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন জানান। আদালত জামিনের আবেদন নাকচ করে দিয়ে তাদের জেলা কারাগারে প্রেরণের আদেশ দেন।

ওই তিন চিকিৎসক হলেন, ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের দন্ত বিভাগের সহকারী অধ্যাপক গণপতি বিশ্বাস ওরফে শুভ, ওই হাসপাতালের গাইনি বিভাগের সাবেক জুনিয়র কনসালটেন্ট মিনাক্ষী চাকমা ও ওই হাসপাতালের সাবেক প্যাথলজিস্ট এ এইচ এম নুরুল ইসলাম।
January 13, 2020

চরভদ্রাসনে মুক্তিযোদ্ধার জমি দখলের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

চরভদ্রাসন প্রতিনিধি:
 ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলায় রবিবার বিকাল ৫ টায় সংখ্যালগু মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের জমি দখলের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছেন মুক্তিযোদ্ধা পরিবার।

চরভদ্রাসন প্রেসক্লাব মিলনায়তনে  জমি দখল এর  প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছেন চরভদ্রাসন সদর ইউনিয়নের বিএস ডাংগী গ্রামের ‍মুক্তিযোদ্ধা সুবল চন্দ্র বিশ্বাস এর পক্ষে তার ভাই স্বপন কুমার বিশ্বাস।

এ সময় বিষয়টি সুষ্ঠ তদন্ত সাপেক্ষে ন্যায় বিচার পেতে মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয়সহ প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন তিনি।

লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, ভুমি দস্যু আলতাফ হোসেন কয়েক বছর আগে আমাদের কাছ থেকে ৩৯(উনচল্লিশ) শতাংশ নাল জমি ক্রয় করার পর সে অতিরিক্ত আরো ১০(দশ) শতাংশ জমি জবর দখল করে নিয়েছে।উক্ত ভুমি দস্যু আমাদের বসতভিটে জমির সীমানায় পাকা দেয়াল প্রাচীর নির্মান করেছে।

এ ঘটনার প্রতিবাদে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কাছে বহুবার অভিযোগ করেও কোন ফল পাই নাই। আমরা যেখানে ন্যায্য হিস্যা হয়ে বিচার প্রার্থী হয়েছি ওই ভূমি দস্যু সেখানে গিয়েই অর্থ ও প্রভাব প্রতিপত্তি দেখিয়ে আমাদের বঞ্চিত করে রেখেছেন।এমনকী আমাদের উপর হুমকী-ধুমকি হামলা করতে আসে।
এমত অবস্থায় আমরা ন্যায্য অধিকারহীন ও নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।

তিনি আরো বলেন,  থানায় মামলা করতে গেলে চরভদ্রাসন থানা পুলিশ মামলা না নিয়ে অশ্লীন কথা-বার্তা বলে বের করে দেন।

সংবাদ সম্মেলনে আরো উস্থিত ছিলেন চরভদ্রাসন প্রেসক্লাবের সভাপতি মেজবাহ উদ্দিন,ও মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের সম্মানীত মুক্তিযোদ্ধাবৃন্দ ও স্থানীয় সাংবাদিকবৃন্দ। 

Monday, October 21, 2019

October 21, 2019

অবশেষে ঘোষনা : বিভাগ হচ্ছে ফরিদপুর আর নাম ’পদ্মা’

বিভাগ ঘোষনার পরে আনন্দ মিছিল
নাজমুল হাসান নিরব-
দেশের অন্যতম পুরনো পৌরসভা ফরিদপুরকে সিটি করপোরেশন ও পদ্মা বিভাগ করা হচ্ছে বলে নিকার সভায় ঘোষনা হয়েছে। সরকারের প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত  জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির (নিকার) বৈঠকে ফরিদপুরকে দেশের ১৩তম সিটি করপোরেশন এবং নবম বিভাগ ঘোষনা করা হয়। এ খবরে ফরিদপুরে সর্বত্র আনন্দের বন্যা ও মিষ্টি বিতরন করা হয়।

১৮৬৯ সালে প্রতিষ্ঠিত ফরিদপুর পৌরসভার। পৌর এলাকাটি পরে ধাপে ধাপে সম্প্রসারণ করা হয়। পৌর এলাকা সম্প্রসারণের ফলে পরিকল্পিত আবাসন, যোগাযোগ অবকাঠামো, পয়ঃনিষ্কাশন, পানি সরবরাহ ও অন্যান্য নাগরিক সুবিধার চাহিদা বাড়তে থাকে। বর্তমানে এ পৌরসভার ২৭টি ওয়ার্ড নিয়ে পরিচালিত হচ্ছে।

এই বর্ধিত চাহিদা পূরণের জন্য ফরিদপুর পৌরসভাকে সিটি করপোরেশনে প্রতিষ্ঠা করার প্রস্তাব দেয় ফরিদপুর জেলা প্রশাসন ২০১০সালে।

ফরিদপুর জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, পৌর এলাকা সিটি করপোরেশন প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে যে আটটি শর্ত রয়েছে তার সবগুলো পূরণ করেছে এরই মধ্যে ফরিদপুর পৌরসভা। 

এর মধ্যে উল্লেখ যোগ্য বর্তমানে ফরিদপুর পৌর এলাকার জনসংখ্যা ৫ লাখ ৫৭ হাজার ৬৩২ জন। ফরিদপুরে ২২৫টি ছোট-বড় শিল্পপ্রতিষ্ঠান রয়েছে। এছাড়াও ফরিদপুর পৌরসভার বার্ষিক আয় ৫১ কোটি ৩৫ লাখ ৬৫ হাজার টাকা। 

এছাড়াও সিটি করপোরেশন হতে হলে আয়তন হতে হবে কমপক্ষে ২৫ বর্গকিলোমিটার। সেক্ষেত্রে ফরিদপুরের আয়তন ৬৬ বর্গকিলোমিটার।

এদিকে ফরিদপুরকে সিটি করপোরেশন ও পদ্মা বিভাগ ঘোষনার পর পর শহরেরবাসীর মধ্যে আনন্দের বন্যা বয়ে যায়। অনেকে সরকার প্রধানকে ধন্যবাদ জানিয়ে মিষ্টি বিতরন করে। 

ঘোষনার সাথে সাথে সাবেক মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশারফ হোসেন এমপি সাংবাদিকদের বলেন, আমি আশা করেছিলাম নিকার বৈঠকে শুধু ফরিদপুরকে সিটি করপোরেশন ঘোষনা করা হবে। কিন্তু একই সাথে পদ্মা নামে ফরিদপুরকে বিভাগের কথা বলা হয়েছে।  যার হেড কোর্য়াটার হবে ফরিদপুরে বলে তিনি জানান।  আর এই জন্য তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।


*এদিকে শর্ত সাপেক্ষের কথা বলা হয়েছে নিকার সভায়। সেখানে ফরিদপুরকে পদ্মা নামের বিভাগের ঘোষনা দেওয়ার পর ফরিদপুর সিটি করপোরেশন হবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

Thursday, October 10, 2019

October 10, 2019

কেরামত হত্যা মামলায় ৭ জনের ফাঁসির আদেশ

নাজমুল হাসান নিরব, ফরিদপুর প্রতিনিধি : 
ফরিদপুরের ভাঙ্গায় পিক আপ চালক কেরামত হাওলাদার (৩৫) হত্যা মামলার রায়ে ৭ জনের ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন জেলা ও দায়রা জজ আদালরে বিচারক মো. সেলিম মিয়া।

বৃহস্পতিবার সকালে ৭ আসামীর মধ্যে ৫ জনের উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন তিনি। হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত থাকার বিষয়টি সন্দেহাতীতভাবে প্রামানীত হওয়ায় রায়ে আসমীদের ৭ জনকেই মৃত্যুদন্ডে দন্ডিত ও প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়।

সাজাপ্রাপ্তরা হলেন, তোফা মোল্যা (৩০), পিতা মৃত আব্দুল মোল্যা, পলাশ ফকির (৩৬), পিতা আব্দুল মান্নান ফকির, সিদ্দিক খালাসি (৪০) পিতা সামছুল হক খালাসি, এরশাদ মাতুব্বর (৩৬ পিতা আব্দুল মালেক মাতুব্বর, সুরুজ ওরফে সিরাজুল খাঁ (৩১) পিতা মৃত মোসলেম, নাইম মাতুব্বর (৩৯) পিতা মৃত আব্দুল মালেক মাতুব্বর, আনু মোল্যা ওরফে আনোয়ার মোল্যা (৩২) পিতা গিয়াস উদ্দিন মোল্যা। এদের সকলের বাড়ি ভাঙ্গা উপজেলা চান্দ্রা গ্রামে। এদের মধ্যে নাইম মাতুব্বর ও সুরুজ ওরফে সিরাজুল পলাতক রয়েছে।

আদালতের ভারপ্রাপ্ত পাবলিক প্রসিকিউডর (পিপি) দুলাল চন্দ্র সরকার জানান,  ২০১৪ সালের ১৪ ডিসেম্বর রাতে ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার উত্তর লোহারদিয়া গ্রামের পিক আপ চালক কেরামত হাওলাদার নিখোঁজ হন। পরদিন ভোরে পার্শ্ববর্তি ছলিলদিয়া দিঘলকান্দা বিলের ভেতর থেকে কেরামতের গলা ও পেট কাটা মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। 
এ ঘটনায় ১৫ ডিসেম্বর নিহতের ভাই ইকরাম হাওলাদার বাদি হয়ে ভাঙ্গা থানায় মামলা দায়ের করে। পুলিশ মোবাইল ফোনের কললিষ্টের সূত্র ধরে তোফা মোল্লাকে আটক করলে সে ঘটনার সাথে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে। পরে তার দেওয়া তথ্যানুযায়ী বাকি আসামীদের পুলিশ আটক করে আদালতে সোপর্দ করে।

মামলার দীর্ঘ শুনানী ও সাক্ষ্য প্রমান শেষে আদালত বৃহস্পতিবার এ রায় ঘোষনা করেন।

Tuesday, September 24, 2019

September 24, 2019

ফরিদপুরে মাদক ও জুয়ার আস্তানা পুড়িয়ে দিলেন ওসি

ফরিদপুর প্রতিনিধি: মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষণা দিয়ে ফরিদপুরের সালথায় মাদক,জুয়া ও তাস খেলার ছুঁপড়ি ঘর ও আস্তানা পুড়িয়ে ধ্বংস করে দিলেন সালথা থানার ওসি (ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা) মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ।

মঙ্গলবার (২৪ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ৯ টায় উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নের নটখোলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

এলাকাবাসি ও পুলিশ জানায়, নিয়মিত ওই ছুঁপড়ি ঘরে তাস, জুঁয়া ও মাদক সেবনের সাথে সাথে চলতো অবাধে মাদক কেনা-বেঁচা । পরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার দিবাগত রাতে নটখোলা গ্রামে ওসির নেতৃত্বে অভিযান চালায় সালথা থানা পুলিশ। এসময় কাউকে আটক করতে না পেরে অবশেষে ছুঁপড়ি ঘরটি আগুন দিয়ে ধ্বংস করে দেয় ওসি।

সালথা থানার ওসি মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, কয়েকদিন হলো সালথা থানায় ওসি হিসেবে যোগদান করেছি। আমি যোগদানের পর থেকে মাদক ও জুয়ার বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছি। মাদকের সাথে যুক্ত কাউকে ছাড় দেওয়া হবেনা বলে ওসি বলেন।

Friday, September 13, 2019

September 13, 2019

দুই বান টিনের দাম ১৪ লাখ টাকা,যেন দুর্নীতির মহাসাগর



সময় সংবাদ ডেস্ক-
একটি টিন কেনা হয়েছে এক লাখ টাকায়। যা বর্তমান বাজার মূল্যের তুলনায় ১০০ গুণেরও বেশি। বিশ্বে হয়তো এই টিনই সবচেয়ে বেশি দামে কেনা হয়েছে। খাগড়াছড়ির ৬-আমর্ড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন)-এর কিছু ঘর মেরামতের কাজে এমন দামে টিন কেনা হয়েছে বলে একটি প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ওই মেরামতকাজে মাত্র দুই বান টিনের দাম দেখানো হয়েছে ১৪ লাখ টাকা। এছাড়াও কাজ শুরু মাত্র ২০ দিনের মধ্যেই বাজেটের ৭১ লাখ টাকা তুলে নেয়া হয়।

অথচ মেরামত কমিটির সদস্য সচিবের দেয়া ‘নোট অব ডিসেন্ট’ থেকে জানা যায়, চার মাসে মাত্র ১৫ ভাগ কাজ হয়েছে। প্রতিবেদনে প্রকল্পের কাজে আরও বেশকিছু অনিয়মের তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।

সেখানে উল্লেখ করা হয়, এসব সংস্কারসহ অন্য দুটি কাজের দায়িত্বে ছিল মেসার্স তাপস এন্টারপ্রাইজ ও মেসার্স মিশু এন্টারপ্রাইজ। মিশু এন্টারপ্রাইজের কর্ণধার মোহাম্মদ জসিম। অন্যদিকে তাপস এন্টারপ্রাইজ নামের প্রতিষ্ঠানটিও চলে তার কর্তৃত্বেই।

প্রকল্পের কাজে এসব অনিয়মের বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে জসিম বলেন, ‘আমাকে যেভাবে কাজ করতে বলেছেন, আমি সেভাবেই করেছি। এর বেশি কিছু বলতে পারব না’।