Breaking

Monday, October 21, 2019

October 21, 2019

অবশেষে ঘোষনা : বিভাগ হচ্ছে ফরিদপুর আর নাম ’পদ্মা’

বিভাগ ঘোষনার পরে আনন্দ মিছিল
নাজমুল হাসান নিরব-
দেশের অন্যতম পুরনো পৌরসভা ফরিদপুরকে সিটি করপোরেশন ও পদ্মা বিভাগ করা হচ্ছে বলে নিকার সভায় ঘোষনা হয়েছে। সরকারের প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত  জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির (নিকার) বৈঠকে ফরিদপুরকে দেশের ১৩তম সিটি করপোরেশন এবং নবম বিভাগ ঘোষনা করা হয়। এ খবরে ফরিদপুরে সর্বত্র আনন্দের বন্যা ও মিষ্টি বিতরন করা হয়।

১৮৬৯ সালে প্রতিষ্ঠিত ফরিদপুর পৌরসভার। পৌর এলাকাটি পরে ধাপে ধাপে সম্প্রসারণ করা হয়। পৌর এলাকা সম্প্রসারণের ফলে পরিকল্পিত আবাসন, যোগাযোগ অবকাঠামো, পয়ঃনিষ্কাশন, পানি সরবরাহ ও অন্যান্য নাগরিক সুবিধার চাহিদা বাড়তে থাকে। বর্তমানে এ পৌরসভার ২৭টি ওয়ার্ড নিয়ে পরিচালিত হচ্ছে।

এই বর্ধিত চাহিদা পূরণের জন্য ফরিদপুর পৌরসভাকে সিটি করপোরেশনে প্রতিষ্ঠা করার প্রস্তাব দেয় ফরিদপুর জেলা প্রশাসন ২০১০সালে।

ফরিদপুর জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, পৌর এলাকা সিটি করপোরেশন প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে যে আটটি শর্ত রয়েছে তার সবগুলো পূরণ করেছে এরই মধ্যে ফরিদপুর পৌরসভা। 

এর মধ্যে উল্লেখ যোগ্য বর্তমানে ফরিদপুর পৌর এলাকার জনসংখ্যা ৫ লাখ ৫৭ হাজার ৬৩২ জন। ফরিদপুরে ২২৫টি ছোট-বড় শিল্পপ্রতিষ্ঠান রয়েছে। এছাড়াও ফরিদপুর পৌরসভার বার্ষিক আয় ৫১ কোটি ৩৫ লাখ ৬৫ হাজার টাকা। 

এছাড়াও সিটি করপোরেশন হতে হলে আয়তন হতে হবে কমপক্ষে ২৫ বর্গকিলোমিটার। সেক্ষেত্রে ফরিদপুরের আয়তন ৬৬ বর্গকিলোমিটার।

এদিকে ফরিদপুরকে সিটি করপোরেশন ও পদ্মা বিভাগ ঘোষনার পর পর শহরেরবাসীর মধ্যে আনন্দের বন্যা বয়ে যায়। অনেকে সরকার প্রধানকে ধন্যবাদ জানিয়ে মিষ্টি বিতরন করে। 

ঘোষনার সাথে সাথে সাবেক মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশারফ হোসেন এমপি সাংবাদিকদের বলেন, আমি আশা করেছিলাম নিকার বৈঠকে শুধু ফরিদপুরকে সিটি করপোরেশন ঘোষনা করা হবে। কিন্তু একই সাথে পদ্মা নামে ফরিদপুরকে বিভাগের কথা বলা হয়েছে।  যার হেড কোর্য়াটার হবে ফরিদপুরে বলে তিনি জানান।  আর এই জন্য তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।


*এদিকে শর্ত সাপেক্ষের কথা বলা হয়েছে নিকার সভায়। সেখানে ফরিদপুরকে পদ্মা নামের বিভাগের ঘোষনা দেওয়ার পর ফরিদপুর সিটি করপোরেশন হবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

Thursday, October 10, 2019

October 10, 2019

কেরামত হত্যা মামলায় ৭ জনের ফাঁসির আদেশ

নাজমুল হাসান নিরব, ফরিদপুর প্রতিনিধি : 
ফরিদপুরের ভাঙ্গায় পিক আপ চালক কেরামত হাওলাদার (৩৫) হত্যা মামলার রায়ে ৭ জনের ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন জেলা ও দায়রা জজ আদালরে বিচারক মো. সেলিম মিয়া।

বৃহস্পতিবার সকালে ৭ আসামীর মধ্যে ৫ জনের উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন তিনি। হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত থাকার বিষয়টি সন্দেহাতীতভাবে প্রামানীত হওয়ায় রায়ে আসমীদের ৭ জনকেই মৃত্যুদন্ডে দন্ডিত ও প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়।

সাজাপ্রাপ্তরা হলেন, তোফা মোল্যা (৩০), পিতা মৃত আব্দুল মোল্যা, পলাশ ফকির (৩৬), পিতা আব্দুল মান্নান ফকির, সিদ্দিক খালাসি (৪০) পিতা সামছুল হক খালাসি, এরশাদ মাতুব্বর (৩৬ পিতা আব্দুল মালেক মাতুব্বর, সুরুজ ওরফে সিরাজুল খাঁ (৩১) পিতা মৃত মোসলেম, নাইম মাতুব্বর (৩৯) পিতা মৃত আব্দুল মালেক মাতুব্বর, আনু মোল্যা ওরফে আনোয়ার মোল্যা (৩২) পিতা গিয়াস উদ্দিন মোল্যা। এদের সকলের বাড়ি ভাঙ্গা উপজেলা চান্দ্রা গ্রামে। এদের মধ্যে নাইম মাতুব্বর ও সুরুজ ওরফে সিরাজুল পলাতক রয়েছে।

আদালতের ভারপ্রাপ্ত পাবলিক প্রসিকিউডর (পিপি) দুলাল চন্দ্র সরকার জানান,  ২০১৪ সালের ১৪ ডিসেম্বর রাতে ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার উত্তর লোহারদিয়া গ্রামের পিক আপ চালক কেরামত হাওলাদার নিখোঁজ হন। পরদিন ভোরে পার্শ্ববর্তি ছলিলদিয়া দিঘলকান্দা বিলের ভেতর থেকে কেরামতের গলা ও পেট কাটা মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। 
এ ঘটনায় ১৫ ডিসেম্বর নিহতের ভাই ইকরাম হাওলাদার বাদি হয়ে ভাঙ্গা থানায় মামলা দায়ের করে। পুলিশ মোবাইল ফোনের কললিষ্টের সূত্র ধরে তোফা মোল্লাকে আটক করলে সে ঘটনার সাথে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে। পরে তার দেওয়া তথ্যানুযায়ী বাকি আসামীদের পুলিশ আটক করে আদালতে সোপর্দ করে।

মামলার দীর্ঘ শুনানী ও সাক্ষ্য প্রমান শেষে আদালত বৃহস্পতিবার এ রায় ঘোষনা করেন।

Tuesday, September 24, 2019

September 24, 2019

ফরিদপুরে মাদক ও জুয়ার আস্তানা পুড়িয়ে দিলেন ওসি

ফরিদপুর প্রতিনিধি: মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষণা দিয়ে ফরিদপুরের সালথায় মাদক,জুয়া ও তাস খেলার ছুঁপড়ি ঘর ও আস্তানা পুড়িয়ে ধ্বংস করে দিলেন সালথা থানার ওসি (ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা) মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ।

মঙ্গলবার (২৪ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ৯ টায় উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নের নটখোলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

এলাকাবাসি ও পুলিশ জানায়, নিয়মিত ওই ছুঁপড়ি ঘরে তাস, জুঁয়া ও মাদক সেবনের সাথে সাথে চলতো অবাধে মাদক কেনা-বেঁচা । পরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার দিবাগত রাতে নটখোলা গ্রামে ওসির নেতৃত্বে অভিযান চালায় সালথা থানা পুলিশ। এসময় কাউকে আটক করতে না পেরে অবশেষে ছুঁপড়ি ঘরটি আগুন দিয়ে ধ্বংস করে দেয় ওসি।

সালথা থানার ওসি মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, কয়েকদিন হলো সালথা থানায় ওসি হিসেবে যোগদান করেছি। আমি যোগদানের পর থেকে মাদক ও জুয়ার বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছি। মাদকের সাথে যুক্ত কাউকে ছাড় দেওয়া হবেনা বলে ওসি বলেন।

Friday, September 13, 2019

September 13, 2019

দুই বান টিনের দাম ১৪ লাখ টাকা,যেন দুর্নীতির মহাসাগর



সময় সংবাদ ডেস্ক-
একটি টিন কেনা হয়েছে এক লাখ টাকায়। যা বর্তমান বাজার মূল্যের তুলনায় ১০০ গুণেরও বেশি। বিশ্বে হয়তো এই টিনই সবচেয়ে বেশি দামে কেনা হয়েছে। খাগড়াছড়ির ৬-আমর্ড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন)-এর কিছু ঘর মেরামতের কাজে এমন দামে টিন কেনা হয়েছে বলে একটি প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ওই মেরামতকাজে মাত্র দুই বান টিনের দাম দেখানো হয়েছে ১৪ লাখ টাকা। এছাড়াও কাজ শুরু মাত্র ২০ দিনের মধ্যেই বাজেটের ৭১ লাখ টাকা তুলে নেয়া হয়।

অথচ মেরামত কমিটির সদস্য সচিবের দেয়া ‘নোট অব ডিসেন্ট’ থেকে জানা যায়, চার মাসে মাত্র ১৫ ভাগ কাজ হয়েছে। প্রতিবেদনে প্রকল্পের কাজে আরও বেশকিছু অনিয়মের তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।

সেখানে উল্লেখ করা হয়, এসব সংস্কারসহ অন্য দুটি কাজের দায়িত্বে ছিল মেসার্স তাপস এন্টারপ্রাইজ ও মেসার্স মিশু এন্টারপ্রাইজ। মিশু এন্টারপ্রাইজের কর্ণধার মোহাম্মদ জসিম। অন্যদিকে তাপস এন্টারপ্রাইজ নামের প্রতিষ্ঠানটিও চলে তার কর্তৃত্বেই।

প্রকল্পের কাজে এসব অনিয়মের বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে জসিম বলেন, ‘আমাকে যেভাবে কাজ করতে বলেছেন, আমি সেভাবেই করেছি। এর বেশি কিছু বলতে পারব না’।
September 13, 2019

ফরিদপুরে ২ মাসের গৃহবধূর গর্ভে ৭ মাসের সন্তান



ফরিপুর প্রতিনিধি- 
ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার শেখর ইউনিয়নের গঙ্গানন্দপুর গ্রামে বিয়ের হওয়ার  দুই মাসের মাথায় এক গৃহবধূর (২১) ৭ মাসের অন্তঃস্বত্তা হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ওই গৃহবধূর বাবা জানিয়েছেন, দুই মাস আগে তার মেয়ের বিয়ে  দেওয়া হয় বড়গাঁ গ্রামে। বিয়ের দুই মাস পর তার স্বামী জানতে পারে স্ত্রীর পেটে ৭ মাসের সন্তাান রয়েছে। এ ঘটনা জানাজানি হলে ওই স্বামী তাকে বাবার বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়।

তিনি আরও জানান, পরিবারের লোকজন চাপ সৃষ্টি করলে গৃহবধূ জানায় বিয়ের আগে তার একটি ছেলের সাথে সম্পর্ক ছিল। তার নাম মিটুল শেখ (২৪)। সে  আলফাডাঙ্গা পৌরসভার হিদাডাঙ্গা গ্রামের মো. আক্কাচ শেখের ছেলে। ঐই  সম্পর্কের অবৈধ মেলামেশায় সে গর্ভবতী হয়।মেয়ের পরিবারের লোকজন ছেলেটির ঠিকানা নিয়ে তার পরিবারের সাথে দেখা করে সব কিছু খুলে বলে।

জানা যায়, পরে উভয়পক্ষের অভিভাবকরা শেখর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. ইস্রাফিল মোল্যার দ্বারস্থ হন। তাৎক্ষণিক শালিসি বৈঠক বসিয়ে উভয়কে বিয়ে পড়ানোর সিদ্ধান্ত হয়। শালিস বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী গত ৯ সেপ্টেম্বর দুপুরে কাজী শফিকুল ইসলামের গ্রামের বাড়িতে তাদের বিয়ে দেওয়া হয়।

এ ব্যাপারে কাজী শফিকুল ইসলাম বলেন, স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মো. ইস্রাফিল মোল্যা ও ছেলে-মেয়ের অভিভাবকরা আমার বাড়িতে এসে আমাকে দিয়ে বিয়ে পড়িয়েছে।মেয়ের আগে বিয়ে হয়েছিল কিনা আমার জানা নেই।

চেয়ারম্যান মো. ইস্রাফিল মোল্যা বলেন, ছেলে স্বীকার করেছে ওই তরুণীর পেটে তার সন্তান। তাই উভয়পক্ষের অভিভাবকরা আমার কাছে এসে বিয়ের কথা বলেছে এবং তাদের সম্মতিক্রমেই বিয়ে দিয়েছি। বর্তমানে ওই মেয়ে তার বর্তমান স্বামী মিটুল শেখের বাড়িতেই বসবাস করছে।
September 13, 2019

ফরিদপুরে ৫ কেজি গাঁজা নিয়ে মা-ছেলে সহ ৩ জন আটক



ফরিদপুর প্রতিনিধি-
ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলায় মা-ছেলেসহ তিনজনকে আটক করেছে মধুখালী থানা পুলিশ।
মধুখালী থানার উপপরিদর্শক (এস আই) মো. মাহাবুল করিম জানান বুধবার বিকালে ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের বনমালীদিয়া শাহ্ হাবিব মাদ্রাসার সামনে (ফরিদপুর ব-১১-০০১৫) সাদ সুপার ডিলাক্স লোকাল বাসে অভিযান চালিয়ে মা-ছেলে সহ তিনজনকে আটক করেছে মধুখালী থানা পুলিশ। এ সময় তাদের নিকট থেকে ৫ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। তাদেরকে আজ বৃহস্পতিবার ফরিদপুর আদালতে পাঠানো হয়েছে। আটককৃতরা হলেন আলেয়া বেগম (৪০) স্বামী মৃত. নায়েব আালী, ছেলে রিপন মিয়া (২০) পিতা মৃত নায়েব আলী, সালাউদ্দিন হাওলাদার (২৫) পিতা জালালউদ্দিন হাওলাদার। তাদের বাড়ী মুন্সীগঞ্জ জেলার গোয়ালী গ্রামে।

Tuesday, September 10, 2019

September 10, 2019

ফরিদপুরে র‌্যাবের অভিযানে বিকাশ প্রতারণা চক্রের ৫ সদস্য আটক

ফরিদপুর প্রতিনিধি-
র‌্যাব-৮ ফরিদপুর কোম্পানীর সদস্যরা ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায় অভিযান চালিয়ে সংঘবদ্ধ বিকাশ প্রতারক চক্র (ওয়েলকাম পার্টির) ৫ সদস্যকে আটক করেছে। এসময় তাদের কাছ থেকে মাদক, বিপুল পরিমাণ মোবাইল ফোন ও সিম কার্ড জব্দ করা হয়।

আটককৃতরা হলো মো. রুবেল মাতুব্বর(৩০), মো. ঠান্ডু শেখ(২৮), মো. কামাল হাওলাদার(৩১), সামাদ মাতুব্বর(২৬) ও মো ইমরান খান(১৯)। এদের সকলের বাড়ি ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার মিয়া পাড়া এলাকায়।

র‌্যাব ৮ ফরিদপুর এর কোম্পানী অধিনায়ক মেজর নাজমুল আরেফিন পরাগ জানান, র‌্যাব দীর্ঘদিন যাবৎ বিকাশ প্রতারক চক্রটিকে ধ্বংস করতে কাজ করছে। বিভিন্ন সময়ে র‌্যাবের অভিযানে তারা আটক হয়, জামিনে বের হয়ে আবার একই কাজে যুক্ত হয়।আজ র‌্যাবের ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে গোপন সংবাদের তথ্য পেয়ে ভাঙ্গা উপজেলার মিয়া পাড়ায় অভিযান চাল নো হয়। এসময় উপরিক্ত ৫ জনকে আটক করা হয়।আটককৃতদের কাছ থেকে ৯ পিচ ইয়াবা, ১৬ টি মোবাইল সেট ও ৪৬ টি সিম কার্ড জব্দ করা হয়েছে।

এক প্রশ্নের জবাবে র‌্যাবের এই কর্মকর্তা বলেন, এই চক্রটি মোবাইল ফোন ও অনলাইনের মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে ধোকা দিয়ে বিকাশ ও অন্যান্য অনলাইন ভিত্তিক লেনদেনের এ্যাপের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে।

আটককৃতদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের সাপেক্ষে জব্দ মালামালসহ তাদের ভাঙ্গা থানা পুলিশের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
September 10, 2019

ফরিদপুরে ২ মাসের গৃহবধূর গর্ভে ৭ মাসের সন্তান

ফরিপুর প্রতিনিধি- 
ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার শেখর ইউনিয়নের গঙ্গানন্দপুর গ্রামে বিয়ের হওয়ার  দুই মাসের মাথায় এক গৃহবধূর (২১) ৭ মাসের অন্তঃস্বত্তা হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ওই গৃহবধূর বাবা জানিয়েছেন, দুই মাস আগে তার মেয়ের বিয়ে  দেওয়া হয় বড়গাঁ গ্রামে। বিয়ের দুই মাস পর তার স্বামী জানতে পারে স্ত্রীর পেটে ৭ মাসের সন্তাান রয়েছে। এ ঘটনা জানাজানি হলে ওই স্বামী তাকে বাবার বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়।

তিনি আরও জানান, পরিবারের লোকজন চাপ সৃষ্টি করলে গৃহবধূ জানায় বিয়ের আগে তার একটি ছেলের সাথে সম্পর্ক ছিল। তার নাম মিটুল শেখ (২৪)। সে  আলফাডাঙ্গা পৌরসভার হিদাডাঙ্গা গ্রামের মো. আক্কাচ শেখের ছেলে। ঐই  সম্পর্কের অবৈধ মেলামেশায় সে গর্ভবতী হয়।মেয়ের পরিবারের লোকজন ছেলেটির ঠিকানা নিয়ে তার পরিবারের সাথে দেখা করে সব কিছু খুলে বলে।

জানা যায়, পরে উভয়পক্ষের অভিভাবকরা শেখর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. ইস্রাফিল মোল্যার দ্বারস্থ হন। তাৎক্ষণিক শালিসি বৈঠক বসিয়ে উভয়কে বিয়ে পড়ানোর সিদ্ধান্ত হয়। শালিস বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী গত ৯ সেপ্টেম্বর দুপুরে কাজী শফিকুল ইসলামের গ্রামের বাড়িতে তাদের বিয়ে দেওয়া হয়।

এ ব্যাপারে কাজী শফিকুল ইসলাম বলেন, স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মো. ইস্রাফিল মোল্যা ও ছেলে-মেয়ের অভিভাবকরা আমার বাড়িতে এসে আমাকে দিয়ে বিয়ে পড়িয়েছে।মেয়ের আগে বিয়ে হয়েছিল কিনা আমার জানা নেই।

চেয়ারম্যান মো. ইস্রাফিল মোল্যা বলেন, ছেলে স্বীকার করেছে ওই তরুণীর পেটে তার সন্তান। তাই উভয়পক্ষের অভিভাবকরা আমার কাছে এসে বিয়ের কথা বলেছে এবং তাদের সম্মতিক্রমেই বিয়ে দিয়েছি। বর্তমানে ওই মেয়ে তার বর্তমান স্বামী মিটুল শেখের বাড়িতেই বসবাস করছে।


Monday, September 9, 2019

September 09, 2019

চরভদ্রাসনে আলোচিত নৌকাবাইচ অনুষ্ঠিত




নাজমুল হাসান নিরব ,ফরিদপুর প্রতিনিধি: ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলার আঃ গফুর মৃধার ডাঙ্গী গ্রামের পদ্মার পাড়ে শনিবার বিকেল ৪ টার দিকে এক বিশাল নৌকা বাইচ অনুষ্ঠিত হয়।
স্থানীয় আওয়ামীলীগ,যুবলীগ,ছাত্রলীগ ও চার ইউপি চেয়ারম্যানের আয়োজনে এই অনুষ্ঠান সর্ম্পূন হয়।
উক্ত বাইচে আশেপাশের এলাকার হাজার হাজার মানুষের উপস্থিতি ঘটে।বাইচে মোট নয়টি দল অংশগ্রহন করে।অংশগ্রহনকারী ৯ দলকে তিনটি ভাগে বিভক্ত করে বাইচ প্রতিযোগিতা সম্পন্ন হয়।তিন দলের মোট ৬ দলকে পুরুষ্কার হিসেবে টেলিভিশন প্রদান করা হয়।
উপজেলা যুবলীগের সাধারন সম্পাদক খোকন মোল্যার সার্বিক তত্বাবধানে উক্ত অনুষ্ঠানের পুরুষ্কার বিতরন কালে উপস্থিত ছিলেন সদর ইউপি চেয়ারম্যান আজাদ খান,চর ঝাউকান্দা ইউপি চেয়ারম্যান ফরহাদ হোসেন মৃধা,গাজীরটেক ইউপি চেয়ারম্যান ইয়াকুব আলী।
এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন আওয়ামীলীগ সহ-সভাপতি আবু ইসাহাক,বোরহান মোল্যা,খশরু মেল্যা,রোজাউল খান,প্রমূখ।
আলোচিত এই নৌকাবাইচে বালিয়া ডাঙ্গীর গ্রামের রাশেদ মোল্যার নৌকা চ্যাম্পিয়ন হয়, চরশালেপুরের শেখ লুৎফরের নৌকা রানার্সআপ হয় ।এছারা বাকী প্রতিযোগিতাদের ও পুরুষ্কার বিতরন করা হয়।এ সময় বাইচ আয়োজক কমিটি প্রতিবছর একই তারিখে একই স্থানে বাইচ আয়োজন করার ঘোষনা করেন।
আরো জানা যায় পার্শ্ববর্তী এলাকার কিছু লোকজন এই নৌকা বাইচের বিরুদ্ধে ছিল।তারা মানববন্ধন ও মৌন মিছিল করে।এক পর্যায়ে উপজেলা প্রশাসন বাইচ বন্ধের জন্য মাইকিং ও করে।কিন্তু এইসব উপেক্ষা করে প্রায় ১ কি.মি পরবর্তী নদীর পাড়ে এলাকাবাসী ও দুর-দুরান্তের হাজার হাজার লোকসমরোহে এই বাইচ অনুষ্ঠিত হয়। 
September 09, 2019

ফরিদপুরে মাছ সিন্ডিকেটের কাছে ধরাশায়ী মাছের রাজা ইলিশ



ফরিদপুর প্রতিনিধি : 
চলছে ইলিশের ভরা মৌসুম, তবু বাড়ছে দাম। প্রায় এক মাস ধরে ফরিদপুরের মাছের বাজার অনেকটাই ইলিশের দখলে। সব বাজারেই মিলছে বড় বড় ইলিশ। ফলে ক্রেতারাও অনেকটা ইলিশের দিকে ঝুঁকছেন। এরপরও কমছে না মাছের দাম। গত সপ্তাহের তুলনায় এ সপ্তাহে কেজি প্রতি ইলিশের দাম বেড়েছে একশ’ থেকে দুইশ’ টাকা। এক কেজি ওজনের প্রতি পিস ইলিশ মিলছে ১২৩শ’ থেকে ১৩শ’ টাকায়। ক্রেতাদের অভিযোগ, মাছ ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেটের কারনে ইলিশ মাছ চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে।
জেলার কয়েকটি মাছ বাজার ঘুড়ে দেখা যায়, প্রতিটি বাজরেই রয়েছেই ইলিশের প্রচুর আমদানী তারপরেও বাড়ছে প্রতিনিয়ত দাম। 
ক্রেতারা জানান, বাজারে ইলিশের এতো আমদানী তারপড়েও কেন যে দাম বাড়ানো হচ্ছে বুঝে উঠতে পারছিনা। তারা বলেন হাজী শরীয়তুল্লাহ বাজার থেকে সদর উপজেলাসহ কয়েকটি বাজারের মাছের বাজার নিয়ন্ত্রন হয় বেশীর ভাগ ক্ষেত্রে। এখানে হারান সরকারসহ কয়েকজন ইলিশ মাছ বাজারে আনে। তাদের অতি মুনাফা লোভের কারনেই মাছের বাজারে ইলিশের এতো দাম। তাদের উপর নজরদারী বাড়ানো হলে দাম কমে আসবে বলে তারা জানান। এক্ষেত্রে প্রশাসন ও ভোক্তা অধিকারের এগিয়ে আসার তাগিদ দিয়েছেন ক্রেতারা। 
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বাজার ভেদে ১ কেজি ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ১২০০-১৩০০ টাকা কেজি। ৮০০ গ্রাম থেকে এক কেজি ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ১০০০-১২০০ টাকা কেজি। ৫০০ গ্রাম থেকে ৬০০ গ্রামের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ৫০০-৭০০ টাকা কেজি দরে। ৭০০-৮০০ গ্রামের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ৭০০-৯০০ টাকা কেজি দরে। 
গোয়ালচামট এলাকার এক ক্রেতা বলেন, বাজারে গিয়ে যে দিকেই তাকাই শুধু ইলিশ আর ইলিশ দেখি। বড় ছোট সব ধরনের ইলিশ বাজারে ভরপুর। কিন্তু কিনতে যান হাজার টাকার নিচে ভালো ইলিশ পাবেন না। এক হাজার টাকা দিয়ে এক কেজি মাছ কেনা কয়জনের পক্ষে সম্ভব?
ফরিদপুর হাজী শরীয়তুল্লাহ বাজার সমিতির যুগ্ম সাধারন সম্পাদক নূর মোহম্মদ মাখন বলেন, মাছের আমদানী কমের কারনে মাছের দাম এতো বেশী। সামনে দাম কমে যাবে বলে তিনি জানান। তিনি আরো বলেন, বরিশালের মাছের দাম বেশী। তবে বাজারে বেশী পাওয়া যাচ্ছে চট্রগ্রামের ইলিশ এর দাম একটু কম। বাজারে কোন সিন্ডিকেট নেয় বলে তিনি জানান। 

September 09, 2019

চরভদ্রাসনে স্কুলের ছাদে ঝুঁকিপূর্ন মোবাইল টাওয়ার



নিজস্ব প্রতিনিধি: 
ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলা সদরে আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতল ভবনের ছাদে ওয়ারিদ ও ইয়ারটেল মোবাইল কোম্পানীর নেটওয়াকিং টাওয়ার বসানো হয়েছে। বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ উক্ত দ্বিতল ভবনের ছাদ ভাড়া দিয়ে মাসে ২৪ হাজার টাকা আয় করে চলেছেন। কিন্ত একই ভবনের দ্বিতল অংশ জুড়ে অন্ততঃ ৫টি কক্ষে চালানো হচ্ছে পাঠদান কর্মসূচী। ঘূর্ণিঝড়, ভূমিকম্প বা কালবৈশাখী ঝড়ের কবলে পড়লে বিদ্যালয় ভবনটি চরম ঝুঁকিপূর্ণ বলে শঙ্কা প্রকাশ করে চলেছে স্কুলের কোমলমতি শিক্ষার্থীরা। এ ব্যপারে উর্দ্ধতন দপ্তরে বার বার অভিযোগ করার পরও উক্ত বিদ্যালয় ভবনের ছাদে থেকে মোবাইল কোম্পানীর টাওয়ারগুলো অপসারন করা হচ্ছে না বলে ছাত্রছাত্রী সহ ম্যানেজিং কমিটির একাধিক কার্যকরি সদস্যরা অভিযোগ করেছেন। 
    রবিবার উক্ত বিদ্যালয়ের ৭ম শ্রেনীর এক ছাত্রী মলি আক্তার (১৩) জানায়, “ এ বছর উপজেলায় ঝড়ের প্রবনতা বেশী। বিদ্যালয় ভবনের উপর মোবাইল টাওয়ার থাকায় যে কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় স্কুলে ক্লাস করা ঝুঁকিপূর্ন। তাই আকাশে কালো মেঘ দেখলে ক্লাস থেকে পালিয়ে বাড়ী চলে আসি”।
একই দিন উক্ত বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কাজী আবু সেলিমের সাথে যোগাযোগ করতে গিয়ে মুঠোফোনে তাকে পাওয়া যায়নি। তবে উপজেলা নির্বাহী অফিসার কামরুন নাহার জানান, “ বেশ কিছুদিন আগে আমি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কাজী আবু সেলিমকে ডেকে এনে বিদ্যালয় ভবনের ছাদ থেকে মোবাইল টাওয়ার সরিয়ে নিতে বলেছি। একই সাথে বিদ্যালয় ভবনের ছাদে মোবাইল টাওয়ার স্থাপন করা যদি ঝুঁকিপূর্ণ না হয় তাহলে প্রকৌশলী কর্তৃক অনুমতি পত্র দেখানোর নির্দেশ দিয়েছিলাম। কিন্ত প্রধান শিক্ষক এ পর্যন্ত প্রকৌশলী সনদও দেখান নাই, এমনকি মোবাইল কোম্পানীর উক্ত টাওয়ারটি অপসারনও করেন নাই”।
বিদ্যালয় কার্যকর কমিটির সদস্য শাহজাহান ঝন্টু ও গিয়াস উদ্দিন মোল্যা জানায়, “ম্যানেজিং কমিটির সদস্য হওয়ার পর গত আড়াই বছর ধরে বিদ্যালয় ভবনের ছাদের উপর মোবাইল টাওয়ারগুলো সরিয়ে নেওয়ার জন্য প্রধান শিক্ষককে বার বার অনুরোধ করছি। উক্ত সদস্যরা আরও জানান, ছেলে মেয়েদের মানুষ করতে এনে টাকার লোভে আমরা প্রাণনাশের দিকে ঠেলে দিতে পারি না বলে স্কুলের বিভিন্ন সভায় প্রস্তাব দিয়েছি। কিন্ত প্রতি মাসে মোবাইল কোম্পানীর কাছ থেকে প্রধান শিক্ষক মোটা অংক পাচ্ছেন। তাই তিনি টাকার লোভ সামলাতে পারেন নাই বলে ছাত্রছাত্রীর জীবনের ঝুঁকির মধ্যে রেখেও প্রধান শিক্ষক বিদ্যালয় ভবনের ছাদে মোবাইল টাওয়ার বহাল রেখেছেন”